আমি থিয়েটার এবং সিনেমার জাদুতে বড় হয়েছি : বিক্রম গোখলে

আমি থিয়েটার এবং সিনেমার জাদুতে বড় হয়েছি : বিক্রম গোখলে

থিয়েটার এবং সিনেমার স্বনামধন্য অভিনেতা বিক্রম গোখলে। তার থিয়েটার এবং সিনেমার শিকড় বিস্তার লাভ করেছে তার প্রপিতামহী দুর্গাবাই দেওধরের কাছ থেকে। দুর্গাবাই দেওধর দাদাসাহেব ফালকের পৌরাণিক চলচ্চিত্র 'মোহিনী ভাসমাসুর'-এ পর্দায় উপস্থিত প্রথম ভারতীয় মহিলা অভিনেতা ছিলেন।
 এছাড়া বিক্রম গোখলের দাদী কমলাবাই গোখলে এবং বাবা চন্দ্রকান্ত গোখলেও ছিলেন মারাঠি অভিনয়ের আলোকবর্তিকা।

টাইমস অফ ইন্ডিয়াকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এই অভিনেতা বলেছেন, "আমি থিয়েটার এবং সিনেমার জাদুতে বড় হয়েছি এবং মারাঠি থিয়েটার না থাকলে, একজন অভিনেতা হিসাবে আমার যাত্রা এতটা অর্থবহ হতো না। আমার সময়কালের নাটক 'সাচ কাহু তো' সমসাময়িক এবং একটি ক্লাসিক ঐতিহ্যের নাটক হিসেবে দর্শকেরা বিবেচনা করে। এটি একটি সাসপেন্স থ্রিলার। ব্যক্তিগতভাবে আমার জন্য টেলি ফরম্যাটে তরুণ ও প্রতিশ্রুতিশীল অভিনেতাদের সাথে কাজ করা খুবই উত্তেজনাপূর্ণ ছিল।"
'সাচ কাহু তো'-এর গল্পটি একজন ধনী অবিবাহিত মহিলা শিরিন ওয়াদিয়ার হত্যা এবং এর ফলে আইনি লড়াইকে ঘিরে বোনা হয়েছে। গোখলে আপাতদৃষ্টিতে অদম্য আইনজীবীর ভূমিকায় অভিনয় করেন, যিনি প্রধান সন্দেহভাজন নিতিনকে রক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেন তবে মামলায় প্রথম নজরে দৃশ্যমান হওয়ার চেয়ে আরও অনেক কিছু রয়েছে।
গোখলে বলেছেন- "বিজয় কেনক্রের নির্দেশনায় এটি একটি দুর্দান্ত কাজ এবং আমি সম্পূর্ণ আইনি মোচড় একটি মোড়কে উপভোগ করেছি। এটি একটি খুব ভাল লেখা নাটক এবং নাট্য প্রতিভার নতুন তরঙ্গের বেশ প্রতীক যা এখন সত্যিই আকর্ষণীয় বিষয়বস্তু তৈরি করছে।" 
'সাচ কাহু তো'- তে আরও অভিনয় করেছেন শিবানী টাঙ্কসালে, জৈমিনি পাঠক এবং সারিকা সিং।